জমির সীমানা নিয়ে পরামর্শ

C1

390 sõna · ⁦~2⁩ min lugemist · Edasijõudnud

মক্কেলআসসালামু আলাইকুম। আমি শিরিন আক্তার, আমার বাড়ির উঠান আর পাশের বাড়ির সীমানা নিয়ে আলোচনা করতে এসেছি।

আইনজীবীশুভ অপরাহ্ন। আমি অ্যাডভোকেট নূরুল আমিন। বসুন। আপনি যে কাগজপত্র পাঠিয়েছেন, তা থেকে মনে হচ্ছে গত সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া একটি দখলের অভিযোগ নিয়েই বিষয়টি।

মক্কেলঠিক তাই। রাজশাহীর উপশহরে আমাদের দুই বাড়ি পাশাপাশি, আর পাশের বাড়ির জনাব বজলুর রশিদ আমার জমির সীমানার পঁচাশি সেন্টিমিটার ভেতরে ঢুকে একটি বেড়া তুলেছেন। তাঁর দাবি, সীমানা নাকি পুরোনো একটি মেহেদির বেড়া ধরে গেছে, যেটি অনেক আগেই কেটে ফেলা হয়েছে।

আইনজীবীএখানে একটু সাবধান হতে হবে। আপনার দেওয়া উনিশশো আটাত্তর সালের দলিল বলছে, মূল সীমানা ছিল ইটের পাকা প্রাচীরের রেখা ধরে। তবু দীর্ঘদিন কোনো আপত্তি না করলে কিছু ক্ষেত্রে দখলসূত্রে স্বত্বের দাবি দাঁড়িয়ে যেতে পারে।

মক্কেলবেড়া ওঠার আগে তোলা ছবি আমার কাছে আছে, আর দুই হাজার একুশ সালে আমিন দিয়ে করানো একটি জরিপ প্রতিবেদনও আছে। এগুলো কি ওই দাবি খণ্ডন করার জন্য যথেষ্ট হবে?

আইনজীবীএগুলো আপনার অবস্থান নিশ্চয়ই শক্ত করবে, তবে আদালত মূল সীমানা চিহ্নের আরও প্রমাণ চাইতে পারে, সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই এগোনোর আগে একজন অভিজ্ঞ জরিপকারীকে দিয়ে জমিটি আবার মাপিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

মক্কেলএখনই পরের ধাপটি কী, আর তাতে খরচ কেমন পড়বে?

আইনজীবীআমি বলব একটি উকিল নোটিশ পাঠাতে, যেখানে আপনার অবস্থান লেখা থাকবে আর জনাব বজলুর রশিদকে পনেরো দিনের মধ্যে বেড়াটি সরিয়ে নিতে বলা হবে। ওই নোটিশ তৈরির ফি আট হাজার টাকা, ভ্যাট বাদে।

মক্কেলআর তিনি যদি না মানেন?

আইনজীবীতখন আমরা জেলা দেওয়ানি আদালতে মামলা করার কথা ভাবতে পারি। তবে সেই পথে আর্থিক ঝুঁকি আছে, আর দেরিও হবে অনেক। সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা তুলনামূলক কম বিবাদের পথ হতে পারে, যদিও তার সাফল্য নির্ভর করবে দুই পক্ষের ছাড় দেওয়ার মানসিকতার ওপর।

মক্কেলসম্ভব হলে আদালতে যাওয়া আমি এড়াতেই চাই, তবু উঠানের ওই ফালিটুকু হারাতে আমি রাজি নই।

আইনজীবীএটা খুবই স্বাভাবিক। নোটিশ পাঠানোর আগে আমার নিশ্চিত হওয়া দরকার যে পঁচাশি সেন্টিমিটারের মাপটি সাম্প্রতিক কোনো জরিপে যাচাই করা হয়েছে। সামান্য গরমিলও পুরো দাবিটিকে দুর্বল করে দিতে পারে।

মক্কেলজরিপকারী গত মাসেই মাপটি নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া আমার কাছে এমন চিঠিপত্রও আছে, যেখানে জনাব বজলুর রশিদ নিজেই মূল প্রাচীরকে সীমানা বলে মেনে নিয়েছেন, যদিও সেটি দুই বছর আগের একটি ইমেইল।

আইনজীবীওই স্বীকারোক্তি কাজে লাগতে পারে। আমি এই সপ্তাহেই সব কাগজপত্র দেখে নোটিশের একটি খসড়া আপনার অনুমোদনের জন্য পাঠাব। এর মধ্যে জনাব বজলুর রশিদের সঙ্গে সরাসরি এমন কোনো আলোচনা করবেন না, যা পরে সমঝোতার প্রস্তাব হিসেবে ধরা যেতে পারে।

Kas said tekstist aru?

Vali igale küsimusele üks vastus.

1প্রতিবেশীর পুরো নাম কী?
2বাড়ি দুটি কোন শহরে?
3অভিযোগ অনুযায়ী দখল কবে শুরু হয়?
4জরিপকারী পঁচাশি সেন্টিমিটারের মাপটি কখন নিশ্চিত করেছেন?
5উকিল নোটিশ তৈরির জন্য ভ্যাট বাদে কত ফি বলা হয়েছে?

Kas sul on idee uue funktsiooni jaoks?

Räägi meile, mida tahaksid järgmisena näha — loeme iga sõnumi.

Saada idee →