ভাড়ার চুক্তিপত্র পর্যালোচনা

C1

385 சொற்கள் · ⁦~2⁩ நிமிட வாசிப்பு · மேம்பட்ட

আইনজীবীশুভ সকাল, নাসিমা আপা। চট্টগ্রামের এই ফ্ল্যাটটির বাড়িভাড়ার চুক্তিপত্রের প্রধান ধারাগুলো কি আমরা একে একে দেখে নেব? সই করার আগে যেসব জায়গায় ব্যাখ্যা দরকার বলে মনে হয়েছে, সেগুলোতে আমি আগেই দাগ দিয়ে রেখেছি।

নাসিমা রহমানহ্যাঁ, শুরুর অংশ থেকেই ধরুন। মেয়াদ এবং মেয়াদের আগে ছেড়ে দেওয়ার শর্ত নিয়ে আমি পুরোপুরি নিশ্চিত হতে চাই।

আইনজীবীপ্রথম ধারায় পয়লা অক্টোবর থেকে চার বছরের একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ ঠিক করা হয়েছে, আর মেয়াদ আপনাআপনি নবায়ন হওয়ার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। আগেভাগে ছেড়ে দিতে চাইলে আপনাকে ছয় মাসের লিখিত নোটিশ দিতে হবে, তবে তার জন্য কোনো আর্থিক জরিমানার কথা চুক্তিতে বলা নেই।

নাসিমা রহমানএটুকু যুক্তিসঙ্গত মনে হচ্ছে। তবে দেখছি মাসিক ভাড়া ষাট হাজার টাকা লেখা আছে এবং তা অগ্রিম দিতে হবে। মেয়াদের মধ্যে ভাড়া পুনর্বিবেচনার কোনো সুযোগ কি রাখা আছে?

আইনজীবীঅবশ্যই আছে। চার নম্বর ধারা অনুযায়ী চব্বিশ মাস পার হলে ভাড়া বাড়ানো যাবে, তবে বৃদ্ধি সর্বোচ্চ পাঁচ শতাংশ, আর বাড়িওয়ালাকে আশপাশের সমমানের বাসার ভাড়ার প্রমাণ হাজির করতে হবে। ত্রিশ দিনের আগাম লিখিত নোটিশ ছাড়া এই বৃদ্ধি কার্যকর হবে না। সঙ্গে এটাও মনে রাখবেন, দেশের ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনেও দুই বছরের ভেতরে ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ নেই, ফলে চুক্তির এই শর্তটি আইনের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে।

নাসিমা রহমানবুঝলাম। এবার বলুন, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে চুক্তিতে ঠিক কী বলা আছে? কাঠামোগত কাজের দায় আমি কোনোভাবেই নিতে চাই না।

আইনজীবীসাত নম্বর ধারায় প্রতিদিনের ছোটখাটো রক্ষণাবেক্ষণের দায় ভাড়াটিয়ার ওপর দেওয়া হয়েছে, আর ছাদ, বাইরের দেয়াল এবং লিফট ও পানির পাম্পের মতো বড় স্থাপনার দায় বাড়িওয়ালার হাতেই রাখা হয়েছে। শুরুতেই ঘরের জিনিসপত্রের একটা পূর্ণ তালিকা করিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে, নইলে পরে কোন জিনিস কী অবস্থায় ছিল তা নিয়ে বিরোধ বাধতে পারে।

নাসিমা রহমানআর বিরোধ নিষ্পত্তির শেষ ধারাটিতে আদালতের বদলে সালিসের কথা বলা আছে। সেই সালিস কোথায় বসবে?

আইনজীবীযেকোনো সালিস ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে, দেশের সালিস আইনের বিধি অনুসারে। চুক্তিতে আরও বলা আছে, সালিসকারী অন্য কিছু ঠিক করে না দিলে প্রত্যেক পক্ষ নিজের খরচ নিজেই বহন করবে।

নাসিমা রহমানধন্যবাদ। শেষ একটা কথা: ঘর সাবলেট দেওয়ার ধারাটা আমার কাছে বেশ কড়া মনে হচ্ছে। এতে কি কোনো ছাড়ের জায়গা আছে? ধরুন আমি একটা ঘর কিছুদিনের জন্য কাউকে ছেড়ে দিলাম, সেটাও কি সাবলেট বলে ধরা হবে?

আইনজীবীআগাম লিখিত অনুমতি ছাড়া সাবলেট দেওয়া নিষেধ, আর বাড়িওয়ালা কেবল যুক্তিসঙ্গত কারণেই সেই অনুমতি আটকে রাখতে পারবেন। যুক্তিসঙ্গত কারণ বলতে ঠিক কী বোঝায়, চুক্তিতে তার কোনো সংজ্ঞা দেওয়া হয়নি, ফলে প্রয়োজন পড়লে দরকষাকষির কিছুটা জায়গা থেকেই যাচ্ছে।

உரையைப் புரிந்துகொண்டீர்களா?

ஒவ்வொரு கேள்விக்கும் ஒரு பதிலைத் தேர்வு செய்யவும்.

1চুক্তির শুরুর ধারায় কত বছরের নির্দিষ্ট মেয়াদ ঠিক করা হয়েছে?
2চুক্তিতে মাসিক ভাড়া কত টাকা লেখা আছে?
3মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ছেড়ে দিতে কত মাসের লিখিত নোটিশ দিতে হবে?
4চুক্তি অনুযায়ী সালিস কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
5কত মাস পার হলে বাড়িওয়ালা ভাড়া বাড়ানোর কথা তুলতে পারবেন?

அம்ச யோசனை உள்ளதா?

அடுத்து என்ன பார்க்க விரும்புகிறீர்கள் என்று சொல்லுங்கள் — ஒவ்வொரு செய்தியையும் படிக்கிறோம், வாராந்திரம் பரிந்துரைகளை வெளியிடுகிறோம்.

யோசனையை அனுப்பு →